ঐতিহাসিক সিলেটের ক্বীনব্রীজ দিয়ে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ আজ থেকে

0
4

শ্রমিকদের নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে গত ১৪ আগস্ট রাতে সিলেট নগর এক্সপ্রেস নামের গণ পরিবহন চালুর একটি লগো উম্মোচন অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।

সিলেট মহানগরকে দু’ভাগে ভাগ করেছে দীর্ঘতম নদী সুরমা। আর নগরীর বুক চিরে বয়ে যাওয়া এই নদীর উপর ১৯৩৩ সালে সম্পূর্ণ লোহার অবকাঠামো দিয়ে দৃষ্টিনন্দন ক্বীনব্রীজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় আড়াই বছরের নির্মাণ কাজ শেষে ১৯৩৬ সালে ব্রীজটি চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। আসাম অঞ্চলের তৎকালীন গভর্ণর মাইকেল ক্বীনের নামে সেতুটির নামকরণ করা হয়। সেই থেকে সিলেটবাসীর ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ব্রীজটি

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রীজটি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশ স্বাধীনের পর সেতুটি সংস্কার করে আবার যানবাহন চলাচল শুরু হয়। তখন থেকে শহরবাসীর সুরমা নদী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে এই ক্বীন ব্রীজ ব্যবহার হয়ে আসছে। কালের পরিক্রমায় ১৯৮৩-৮৪ সালে শহরের প্রবেশ মুখে তৎকালীন এরশাদ সরকার সুরমা নদীর উপর শাহজালাল সেতু নামে আরেকটি সেতু নির্মাণ করে। এ ছাড়াও বিএনপি আওয়ামীলীগ উভয় সরকারের আমলে সুরমা নদীর উপর আরো দুটি সেতু নির্মিত হয়েছে। কিন্তু ক্বীনব্রীজ তার স্বমহিমা নিয়ে আজও তুলে ধরছে পুণ্যভূমি সিলেটকে দেশে বিদেশে।

কিন্তু বর্তমানে ব্রীজটির জীর্ণ দশার কারণে যানবাহন তথা পথ চারী চলাচলে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানে স্থানে বৃহদাকার গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক সময় যানবাহন আর পথচারী আটকা পড়ে যাচ্ছেন গর্তে। এ নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নজরে আসে সিলেট সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের।

সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী আলী আকবর জানিয়েছেন, ঐতিহ্যবাহী এই সেতুর ঐতিহ্য রক্ষায় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। সবার সম্মতিক্রমে ব্রীজটি সংস্কার আর তার অবকাঠামো ঠিক রেখে আরো দৃষ্টি নন্দন করার লক্ষ্যে আগামীকাল থেকে এই ব্রীজ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। তবে পথচারীরা আগের মতো পায়ে হেঁটে ব্রীজ দিয়ে চলাচল করতে পারবেন। সংস্কার কাজ শেষ হলে ইঞ্জিনিয়ারদের মতামতের ভিত্তিতে ব্রীজটি আবার যানবাহন চলাচলের জন্যে উম্মুক্ত করা হবে কিনা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান তিনি।

সিলেটের ঐতিহাসিক ক্বীন ব্রীজ দিয়ে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে আগামীকাল রোববার থেকে। তবে পথচারীরা চলাচল করতে পারবেন। সিলেটকে চেনার অন্যতম একটি নিদর্শন এই ক্বীন ব্রীজ সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সিলেট সিটি কর্পোরেশন।

সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল শাখা থেকে জানা গেছে, আগামীকাল ১ সেপ্টেম্বর রোববার থেকে এই সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে। বর্তমানে ক্বীনব্রীজ দিয়ে যে সব যানবাহন চনাচল করতো সেগুলোকে শহরের পশ্চিমের কাজিরবাজার সেতু দিয়ে চলাচল করতে বলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সিলেটের পরিবহন মালিক শ্রমিকদের নিয়ে কয়েক দফা বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর আগে গত ১৪ আগস্ট রাতে সিলেট নগর এক্সপ্রেস নামের গণপরিবহন চালুর একটি লোগো উম্মোচন অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিলেন।

সিলেট মহানগরকে দু’ভাগে ভাগ করেছে দীর্ঘতম নদী সুরমা। আর নগরীর বুক চিরে বয়ে যাওয়া এই নদীর উপর ১৯৩৩ সালে সম্পূর্ণ লোহার অবকাঠামো দিয়ে দৃষ্টিনন্দন ক্বীনব্রীজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় আড়াই বছরের নির্মাণ কাজ শেষে ১৯৩৬ সালে ব্রীজটি চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। আসাম অঞ্চলের তৎকালীন গভর্ণর মাইকেল ক্বীনের নামে সেতুটির নামকরণ করা হয়। সেই থেকে সিলেটবাসীর ঐতিহ্যের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ব্রীজটি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রীজটি সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও দেশ স্বাধীনের পর সেতুটি সংস্কার করে আবার যানবাহন চলাচল শুরু হয়। তখন থেকে শহরবাসীর সুরমা নদী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে এই ক্বীন ব্রীজ ব্যবহার হয়ে আসছে। কালের পরিক্রমায় ১৯৮৩-৮৪ সালে শহরের প্রবেশ মুখে তৎকালীন এরশাদ সরকার সুরমা নদীর উপর শাহজালাল সেতু নামে আরেকটি সেতু নির্মাণ করে। এ ছাড়াও বিএনপি আওয়ামীলীগ উভয় সরকারের আমলে সুরমা নদীর উপর আরো দুটি সেতু নির্মিত হয়েছে। কিন্তু ক্বীনব্রীজ তার স্বমহিমা নিয়ে আজও তুলে ধরছে পুণ্যভূমি সিলেটকে দেশে বিদেশে।

কিন্তু বর্তমানে ব্রীজটির জীর্ণ দশার কারণে যানবাহন তথা পথচারী চলাচলে নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানে স্থানে বৃহদাকার গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক সময় যানবাহন আর পথচারী আটকা পড়ে যাচ্ছেন গর্তে। এ নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সচিত্র সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নজরে আসে সিলেট সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের।

সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলী আলী আকবর জানিয়েছেন, ঐতিহ্যবাহী এই সেতুর ঐতিহ্য রক্ষায় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সিলেটের বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। সবার সম্মতিক্রমে ব্রীজটি সংস্কার আর তার অবকাঠামো ঠিক রেখে আরো দৃষ্টিনন্দন করার লক্ষ্যে আগামীকাল থেকে এই ব্রীজ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। তবে পথচারীরা আগের মতো পায়ে হেঁটে ব্রীজ দিয়ে চলাচল করতে পারবেন। সংস্কার কাজ শেষ হলে ইঞ্জিনিয়ারদের মতামতের ভিত্তিতে ব্রীজটি আবার যানবাহন চলাচলের জন্যে উম্মুক্ত করা হবে কিনা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here